• মূলপাতা
  • ইতিহাস
    • ইসলামিক ইতিহাস
    • ভারতবর্ষের ইতিহাস
    • বিশ্ব ইতিহাস
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • খ্রিস্টান
    • হিন্দু
    • ইহুদী
    • অন্যান্য ধর্ম
  • নাস্তিকতা
  • রাজনীতি
  • সিনেমা
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • ছোটগল্প
    • উপন্যাস
    • সাহিত্য আলোচনা
  • অন্যান্য
  • ই-ম্যাগাজিন
    • নবজাগরণ (ষাণ্মাসিক) – জীবনানন্দ ১২৫ তম জন্ম সংখ্যা – মননশীল সাহিত্য পত্রিকা
  • Others Language
    • English
    • Urdu
    • Hindi
Tuesday, May 5, 2026
নবজাগরণ
  • মূলপাতা
  • ইতিহাস
    • ইসলামিক ইতিহাস
    • ভারতবর্ষের ইতিহাস
    • বিশ্ব ইতিহাস
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • খ্রিস্টান
    • হিন্দু
    • ইহুদী
    • অন্যান্য ধর্ম
  • নাস্তিকতা
  • রাজনীতি
  • সিনেমা
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • ছোটগল্প
    • উপন্যাস
    • সাহিত্য আলোচনা
  • অন্যান্য
  • ই-ম্যাগাজিন
    • নবজাগরণ (ষাণ্মাসিক) – জীবনানন্দ ১২৫ তম জন্ম সংখ্যা – মননশীল সাহিত্য পত্রিকা
  • Others Language
    • English
    • Urdu
    • Hindi
No Result
View All Result
নবজাগরণ - জ্ঞান অর্জনের বিস্বস্থ সংস্থা
  • মূলপাতা
  • ইতিহাস
    • ইসলামিক ইতিহাস
    • ভারতবর্ষের ইতিহাস
    • বিশ্ব ইতিহাস
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • খ্রিস্টান
    • হিন্দু
    • ইহুদী
    • অন্যান্য ধর্ম
  • নাস্তিকতা
  • রাজনীতি
  • সিনেমা
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • ছোটগল্প
    • উপন্যাস
    • সাহিত্য আলোচনা
  • অন্যান্য
  • ই-ম্যাগাজিন
    • নবজাগরণ (ষাণ্মাসিক) – জীবনানন্দ ১২৫ তম জন্ম সংখ্যা – মননশীল সাহিত্য পত্রিকা
  • Others Language
    • English
    • Urdu
    • Hindi
No Result
View All Result
নবজাগরণ - জ্ঞান অর্জনের বিস্বস্থ সংস্থা
No Result
View All Result

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানের জনক কাজী নজরুল ইসলাম

নবজাগরণ by নবজাগরণ
May 4, 2026
in ভারতবর্ষের ইতিহাস, সাহিত্য আলোচনা
0
‘জয় বাংলা’ শ্লোগানের জনক কাজী নজরুল ইসলাম

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানের জনক কাজী নজরুল ইসলাম

Share on FacebookShare on Twitter

লিখেছেনঃ মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম

‘জয় বাংলা’ কেবল একটি স্লোগান নয়; এটি বাঙালির আত্মপরিচয়, সাংস্কৃতিক চেতনা, ভাষাগত গৌরব এবং রাজনৈতিক আত্মমর্যাদার এক গভীর ঐতিহাসিক উচ্চারণ। বাংলাদেশে এই স্লোগান বিশেষভাবে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হলেও, এর আবেগ ও তাৎপর্য বৃহত্তর বাঙালি সমাজজীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় এটি জনগণের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়ে এক অদম্য প্রেরণার উৎসে পরিণত হয়েছিল। একই সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক উপত্যকাতেও বাঙালির ভাষিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় স্লোগান হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে। তবে ‘জয় বাংলা’-র ইতিহাস কেবল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর শিকড় আরও গভীরে, ঔপনিবেশিক বিরোধী জাতীয় চেতনার ভেতরে প্রোথিত। এই শব্দযুগল প্রথম সাহিত্যিক রূপে আত্মপ্রকাশ করে ১৯২২ সালে, কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর কলমে। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ভাঙার গান-এর অন্তর্গত ‘পূর্ণ-অভিনন্দন’ কবিতায় সর্বপ্রথম “জয় বাঙলা” শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হয়। পরবর্তীকালে এই সাহিত্যিক উচ্চারণই ধীরে ধীরে রূপ নেয় সংগ্রামের স্লোগানে, জাতীয় চেতনার মন্ত্রে।

‘জয় বাংলা’-র সাহিত্যিক উৎপত্তির পেছনেও রয়েছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগ্রামী নেতা ছিলেন মাদারীপুরের স্কুলশিক্ষক পূর্ণচন্দ্র দাস। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাঁকে বারবার জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। তাঁর আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম এবং স্বজাত্যবোধে মুগ্ধ হয়ে কালিপদ রায়চৌধুরীর অনুরোধে নজরুল ‘পূর্ণ-অভিনন্দন’ কবিতাটি রচনা করেন। এটি অন্তর্ভুক্ত হয় ভাঙার গান কাব্যগ্রন্থে।

সেই কবিতার বিখ্যাত পংক্তিতে নজরুল লিখেছিলেন—

“জয় বাংলার পূর্ণচন্দ্র, জয় জয় আদি অন্তরীণ,
জয় যুগে যুগে আসা সেনাপতি, জয় প্রাণ আদি-অন্তহীন।” (ভাঙার গান)

এই পংক্তিতে ‘জয় বাংলার’ উচ্চারণ নিছক প্রশস্তি নয়; এটি ছিল বাঙালির আত্মমর্যাদার এক কাব্যিক ঘোষণা। নজরুলের আরেকটি রচনা ‘বাঙালির বাঙলা’ প্রবন্ধেও ‘জয় বাংলা’ শব্দবন্ধের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ, ‘জয় বাংলা’ প্রথমে কবিতার ভাষায় জন্ম নিয়েছিল, পরে তা জনতার ভাষায় স্লোগানে রূপান্তরিত হয়।

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে এই স্লোগান নতুন রাজনৈতিক শক্তি অর্জন করে। একটি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর মধুর ক্যান্টিনে শিক্ষা দিবস (১৭ মার্চ) যৌথভাবে পালনের লক্ষ্যে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহূত সভায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আফতাব আহমেদ এবং চিশতী হেলালুর রহমান সর্বপ্রথম “জয় বাংলা” স্লোগানটি উচ্চারণ করেন। এই সময়ে ছাত্রসমাজের রাজনৈতিক সংগ্রাম, স্বাধিকার আন্দোলন এবং পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদে স্লোগানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

আরেকটি প্রচলিত মত অনুসারে, ১৯ জানুয়ারি ১৯৭০ সালে ঢাকার পল্টন ময়দানের এক জনসভায় ছাত্রনেতা সিরাজুল আলম খান তাঁর ভাষণে প্রথমবারের মতো “জয় বাংলা” স্লোগান উচ্চারণ করেন। যদিও এর পূর্বে সাহিত্যিক ও ছাত্ররাজনৈতিক পরিসরে শব্দবন্ধটি ব্যবহৃত হচ্ছিল, এই সময় থেকে এটি বৃহত্তর গণআন্দোলনের কেন্দ্রীয় স্লোগানে পরিণত হয়।

পরবর্তীকালে শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে সমধিক পরিচিত, ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষণে প্রথমবারের মতো নিজ কণ্ঠে “জয় বাংলা” উচ্চারণ করেন। তাঁর সেই ভাষণ ছিল বাঙালির স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের পূর্বাভাস, আর “জয় বাংলা” হয়ে ওঠে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের চূড়ান্ত আহ্বান।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই স্লোগান ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণের শক্তি। যুদ্ধক্ষেত্রে অভিযানে যাওয়ার আগে, সফল অপারেশন শেষে, কিংবা বিজয়ের সংবাদে মুক্তিযোদ্ধারা সমস্বরে উচ্চারণ করতেন—“জয় বাংলা”। এটি ছিল সাহসের মন্ত্র, আত্মত্যাগের শপথ এবং বিজয়ের উল্লাস। বাঙালির ইতিহাসে এর আগে কোনো স্লোগান এত তীব্র, সংহত এবং বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করেনি। একটি মাত্র উচ্চারণে এখানে মিলিত হয়েছে রাজনীতি, ভাষা, সংস্কৃতি, দেশপ্রেম এবং জাতীয় অস্তিত্বের ঘোষণা।

‘জয় বাংলা’ তাই কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়; এটি বাঙালির ইতিহাসের রক্তাক্ত পথচলার শব্দচিহ্ন। এটি একদিকে ঔপনিবেশিক বিরোধী চেতনার উত্তরাধিকার, অন্যদিকে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের ধ্বনি। কবির কলমে যার সূচনা, তা পরবর্তীকালে জনতার কণ্ঠে জাতির মুক্তির মন্ত্রে পরিণত হয়েছে। আজও ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণে ইতিহাসের সেই গর্জন, আত্মপরিচয়ের সেই দীপ্তি এবং স্বাধীনতার সেই অমোঘ আহ্বান প্রতিধ্বনিত হয়।

‘জয় বাংলা’ স্লোগানের উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অনেক গবেষকের মতে, কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যেই শুধু নয়, তাঁর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চিন্তাধারার মধ্যেও ‘জয় বাংলা’-র বীজ সুস্পষ্টভাবে নিহিত ছিল। বিশেষত তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত নবযুগ পত্রিকার নবপর্যায় (১৯৪০)-এর ৩রা বৈশাখ ১৩৪৯ বঙ্গাব্দ (১৯৪২) সংখ্যায় প্রকাশিত ‘বাঙালির বাঙলা’ প্রবন্ধে এই চেতনা আরও প্রত্যক্ষভাবে ধরা পড়ে। সেখানে নজরুল বাঙালির আত্মপরিচয়, স্বদেশচেতনা এবং সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কে অত্যন্ত দৃপ্ত ভাষায় লিখেছিলেন।

তিনি লিখেছেন—

“‘বাঙালিকে, বাঙালির ছেলেমেয়েকে ছেলেবেলা থেকে শুধু এই এক মন্ত্র শেখাও;
এই পবিত্র বাংলাদেশ
বাঙালির-আমাদের।
দিয়া ‘প্রহারেণ ধনঞ্জয়’
তাড়াব আমরা করি না ভয়
যত পরদেশী দস্যু ডাকাত
রামাদের গামা’দের
বাঙলা বাঙালির হোক। বাঙালির জয় হোক। বাঙালির জয় হোক।’”

—বাঙালির বাঙলা, কাজী নজরুল ইসলাম

এই উদ্ধৃতির ভাষা লক্ষ্য করলে স্পষ্ট হয়, এখানে কেবল ভাষার প্রতি ভালোবাসা নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আত্মমুক্তির ডাক উচ্চারিত হয়েছে। “বাঙলার জয় হোক”, “বাঙালির জয় হোক”—এই পুনরাবৃত্ত উচ্চারণ পরবর্তী সময়ের “জয় বাংলা” স্লোগানের ভাবগত ও শব্দগত পূর্বসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়। সাহিত্যিক আবেগের ভেতর থেকেই রাজনৈতিক স্লোগানের জন্ম—এই ঐতিহাসিক ধারাটি এখানেই সুস্পষ্ট।

একটি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৪২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান তখন কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। সেই সময় নবযুগ পত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের এই উদ্দীপ্ত প্রবন্ধ তাঁর মনোজগতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল, অথবা পরবর্তী সময়ে তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল বলে ধারণা করা হয়। যদিও এর প্রত্যক্ষ দলিল সীমিত, তবু ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বিচার করলে এই প্রভাব অস্বীকার করা কঠিন।

পরবর্তীকালে, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ ১৯৭১ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণের সমাপ্তি ঘটান “জয় বাংলা” উচ্চারণের মধ্য দিয়ে। এই ভাষণ শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না; এটি ছিল এক জাতির স্বাধীনতার প্রস্তুতির ঘোষণা। সেই মুহূর্ত থেকে “জয় বাংলা” সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত মুক্তির সংগ্রামের প্রধান স্লোগানে পরিণত হয়।

এর আগে রাজনৈতিক পরিসরে “জিন্দাবাদ” শব্দটির ব্যবহার ছিল অত্যন্ত প্রচলিত। ফার্সি উৎসের এই শব্দের অর্থ দীর্ঘজীবী হোক বা চিরজীবী হোক। তৎকালীন বর্ষীয়ান জননেতা মাওলানা ভাসানী ১৯৭১ সালের শুরু থেকেই “স্বাধীন বাংলা জিন্দাবাদ”, “আজাদ বাংলা জিন্দাবাদ” প্রভৃতি স্লোগান ব্যবহার করতেন। কিন্তু “জয় বাংলা” এই প্রচলিত রাজনৈতিক ভাষাকে ছাড়িয়ে এক ভিন্ন আবেগের জন্ম দেয়। এখানে শুধু রাষ্ট্রের দাবি নয়, জাতিসত্তার আত্মপ্রকাশও নিহিত ছিল।

১৯৭১ সালের মার্চ মাস থেকে জনসভা, মিছিল, পথসভা এবং রাজনৈতিক প্রচারণায় “জয় বাংলা” ক্রমশ সর্বজনীন স্লোগানে পরিণত হয়। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এর গুরুত্ব আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ২৭ মার্চ ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান অস্থায়ী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করার শেষে “জয় বাংলা” উচ্চারণ করেন। এই উচ্চারণ প্রমাণ করে, তখন এটি কেবল একটি দলের স্লোগান ছিল না; বরং সমগ্র মুক্তিযুদ্ধের ঐক্যবদ্ধ আহ্বান হয়ে উঠেছিল।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেও “জয় বাংলা” ছিল এক অবিচ্ছেদ্য ধ্বনি। বিভিন্ন ঘোষণায়, সংবাদে এবং বিশেষ সম্প্রচারে এটি বারবার ব্যবহৃত হতো। এই বেতার কেন্দ্রের স্বাক্ষরসঙ্গীতই ছিল—“জয় বাংলা, বাংলার জয়”। যুদ্ধবিধ্বস্ত সময়ে এই গান ও স্লোগান মুক্তিযোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষের মনে সাহস, আশা ও বিজয়ের প্রত্যয় জাগিয়ে রাখত। ১১ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ-এর প্রথম বেতার ভাষণও শেষ হয়েছিল—“জয় বাংলা, জয় স্বাধীন বাংলাদেশ”—এই ঐতিহাসিক উচ্চারণে।

পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ এবং ২০১৫ সালে প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন যে, কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা থেকেই বঙ্গবন্ধু “জয় বাংলা” স্লোগানটি গ্রহণ করেছিলেন। এই বক্তব্য ‘জয় বাংলা’-র সাহিত্যিক উৎস ও রাজনৈতিক রূপান্তরের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।

দীর্ঘ ঐতিহাসিক যাত্রার পর ২০২০ সালের ১০ মার্চ “জয় বাংলা” আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাংলাদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। আদালত নির্দেশ দেন, সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি, রাষ্ট্রের সকল কর্মকর্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় দিবস ও গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে “জয় বাংলা” স্লোগান ব্যবহৃত হবে।

এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ‘জয় বাংলা’ শুধু মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নয়, রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক আত্মপরিচয়ের অংশে পরিণত হয়। কবির কলমে যার সূচনা, জনতার সংগ্রামে যার বিকাশ, স্বাধীনতার রণধ্বনিতে যার প্রতিষ্ঠা—সেই “জয় বাংলা” আজও বাঙালির ইতিহাস, আত্মমর্যাদা এবং জাতীয় গৌরবের এক অনিবার্য উচ্চারণ।

‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর রাষ্ট্রপর্যায়ে এর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশাসনিক নির্দেশ জারি করা হয়। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, জাতীয় দিবসসমূহে এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক পদাধিকারী, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁদের বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন। একই সঙ্গে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনের প্রাত্যহিক সমাবেশ শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণ করবেন—এমন নির্দেশও প্রদান করা হয়। আদালত এই নির্দেশ তিন মাসের মধ্যে কার্যকর করার আদেশ দেন।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি দীর্ঘ আইনি ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া কাজ করেছিল। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ ‘জয় বাংলা’-কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার দাবিতে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। তাঁর যুক্তি ছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, জাতীয় চেতনা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ‘জয় বাংলা’-র যে অনন্য ভূমিকা রয়েছে, তাকে আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রিক মর্যাদা দেওয়া সময়ের দাবি।

এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১০ মার্চ বাংলাদেশ হাইকোর্ট ‘জয় বাংলা’-কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণের পক্ষে রায় প্রদান করে। বিচারপতি নাজমুল আহাসান এবং বিচারপতি কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে যে, ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আত্মা, জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রধান প্রতীক এবং স্বাধীনতার চেতনার ধারক।

পরবর্তীকালে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জয় বাংলা’-কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২ মার্চ ২০২২ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে ‘জয় বাংলা’-কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল—

“১। (ক) ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।
(খ) সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ, দেশে ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ সকল জাতীয় দিবস উদযাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় ও সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
(গ) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশ সমাপ্তির পর এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষকগণ ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
২। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।”

এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ‘জয় বাংলা’ শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মারক নয়, বরং রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পরিচয়ের অংশে পরিণত হয়। এটি প্রশাসনিক কাঠামো, শিক্ষাব্যবস্থা এবং সরকারি অনুষ্ঠানের ভাষায় একটি নির্দিষ্ট সাংবিধানিক মর্যাদা লাভ করে।

তবে এই অবস্থান পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত হয়। ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় দেয় যে, ‘জয় বাংলা’ আর জাতীয় স্লোগান হিসেবে বহাল থাকবে না। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী হাইকোর্টের আদেশও স্থগিত করা হয়। এর ফলে ‘জয় বাংলা’-র জাতীয় স্লোগান হিসেবে রাষ্ট্রিক বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার হয় এবং বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কের জন্ম দেয়।

রাজনৈতিক পরিসরে ‘জয় বাংলা’-র ব্যবহার অবশ্য আরও বহু আগে থেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশে এটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর আনুষ্ঠানিক স্লোগান হিসেবে পরিচিত। দলটির সভা, সমাবেশ, রাজনৈতিক ভাষণ এবং আনুষ্ঠানিক বার্তার শেষে প্রায়শই “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” উচ্চারণ করা হয়। এই শব্দবন্ধের মাধ্যমে দলীয় কর্মীরা বাংলাদেশ এবং শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতি তাঁদের রাজনৈতিক আনুগত্য ও আবেগ প্রকাশ করেন।

ভারতেও ‘জয় বাংলা’ ধীরে ধীরে একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে গুরুত্ব অর্জন করে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে বাঙালি পরিচয় ও ভাষিক জাতিসত্তার প্রশ্নে এই স্লোগান নতুন তাৎপর্য পায়। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথমবারের মতো ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ব্যবহার শুরু করে। এর মাধ্যমে তারা বাংলা ভাষা, বাঙালি পরিচয় এবং আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রশ্নকে সামনে আনে।

২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২১-এ এই স্লোগান আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব লাভ করে। তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির বহুল ব্যবহৃত “জয় শ্রীরাম” স্লোগানের প্রতিপক্ষ হিসেবে “জয় বাংলা” ব্যবহার শুরু করে। এটি একদিকে নির্বাচনী কৌশল, অন্যদিকে বাঙালি আঞ্চলিক পরিচয়ের সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের ভাষা হয়ে ওঠে। নির্বাচনে বিজয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই স্লোগানকে বিজয়ের সহায়ক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও ‘জয় বাংলা’ একটি শক্তিশালী উপস্থিতি তৈরি করেছে। ১৯৭০ সালে জয় বাংলা নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়, যার পরিচালক ছিলেন ফখরুল আলম। কাহিনি ও সংলাপ রচনা করেন মাহবুব তালুকদার, সংগীত পরিচালনা করেন আনোয়ার পারভেজ, এবং প্রযোজক ছিলেন মোহাম্মদ আবুল খায়ের। চলচ্চিত্রটি চিত্রকল্প প্রোডাকশনের ব্যানারে সালাউদ্দীনের পরিবেশনায় মুক্তির প্রস্তুতি নেয়।

কিন্তু পাকিস্তান সরকার ১৯৭০ সালের শেষ ভাগে চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কারণ, এর বিষয়বস্তু ও দেশাত্মবোধক আবহ তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শাসকদের কাছে বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়। এই চলচ্চিত্রের গান—“জয় বাংলা, বাংলার জয়”—মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশবাসীর মনে অসাধারণ উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেও এই গান ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং এটি কার্যত মুক্তিযুদ্ধের অনানুষ্ঠানিক সংগীতে পরিণত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব অর্জন করে।

সব মিলিয়ে ‘জয় বাংলা’ কেবল একটি স্লোগান নয়; এটি ইতিহাস, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং জাতীয় আত্মপরিচয়ের এক বহুমাত্রিক প্রতীক। আদালতের রায়, রাষ্ট্রের প্রজ্ঞাপন, রাজনৈতিক মঞ্চ কিংবা মুক্তিযুদ্ধের গান—সবখানেই এর প্রতিধ্বনি একই কথা বলে: এটি বাঙালির আত্মমর্যাদার উচ্চারণ।

Post Views: 8
Tags: Bangla slogan historyhistory of Joy BanglaJoy Bangla sloganNazrul IslamNazrul Islam historyকাজী নজরুল ইসলামজয় বাংলাজয় বাংলা স্লোগানদেশপ্রেম বাংলাবাঙালি সংস্কৃতিবাঙালির চেতনাবাংলাদেশ ইতিহাস
ADVERTISEMENT

Related Posts

নজরুলের ধুমকেতু : ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে এক অগ্নিমশাল
সাহিত্য আলোচনা

নজরুলের ধুমকেতু : ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে এক অগ্নিমশাল

লিখেছেনঃ মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক চেতনা ও স্বাধীনতাকামী মনোভঙ্গি তার সাহিত্যকর্মে যেভাবে প্রবাহিত হয়েছে, তা বাংলা সাহিত্যের...

by নবজাগরণ
January 8, 2026
বর্গী এল দেশে: বাংলার অষ্টাদশ শতকের মারাঠা আক্রমণকারীদের সন্ত্রাস
ভারতবর্ষের ইতিহাস

বর্গী এল দেশে : বাংলার অষ্টাদশ শতকের মারাঠা আক্রমণকারীদের সন্ত্রাস

লিখেছেনঃ মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম বাংলার গ্রামে গ্রামে বহুদিন আগেও রাতে শিশুকে ঘুম পাড়াতে মায়েরা যে ছড়াটি গাইতেন—“ছেলে ঘুমালো, পাড়া...

by মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম
August 26, 2025
গোপাল পাঁঠা : ইতিহাসের অন্ধকারে এক বিতর্কিত চরিত্র
ভারতবর্ষের ইতিহাস

গোপাল পাঁঠা : ইতিহাসের অন্ধকারে এক বিতর্কিত চরিত্র

লিখেছেনঃ মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম কলকাতার বউবাজারের মঙ্গলা লেনে জন্মেছিলেন গোপাল পাঁঠা ওরফে গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়। পারিবারিক পেশা ছিল পাঁঠার...

by মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম
August 24, 2025
সুলতানি যুগের ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের নথি ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান
ভারতবর্ষের ইতিহাস

সুলতানি যুগের ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের নথি ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান

লিখেছেনঃ মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম গজনীর মাহমুদ ও মহম্মদ ঘোরীর ধারাবাহিক ও সফল সামরিক অভিযানের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে...

by মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম
August 9, 2025

Facebook Page

নবজাগরণ

ADVERTISEMENT
No Result
View All Result

Categories

  • English (9)
  • অন্যান্য (11)
  • ইসলাম (28)
  • ইসলামিক ইতিহাস (23)
  • ইহুদী (3)
  • কবিতা (37)
  • খ্রিস্টান (6)
  • ছোটগল্প (6)
  • নাস্তিকতা (20)
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (24)
  • বিশ্ব ইতিহাস (26)
  • ভারতবর্ষের ইতিহাস (200)
  • রাজনীতি (40)
  • সাহিত্য আলোচনা (74)
  • সিনেমা (18)
  • হিন্দু (16)

Pages

  • Cart
  • Checkout
    • Confirmation
    • Order History
    • Receipt
    • Transaction Failed
  • Checkout
  • Contact
  • Donation to Nobojagaran
  • Homepage
  • Order Confirmation
  • Order Failed
  • Privacy Policy
  • Purchases
  • Services
  • লেখা পাঠানোর নিয়ম
  • হোম

  • jasa gestun terdekat
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • ইতিহাস
    • ইসলামিক ইতিহাস
    • ভারতবর্ষের ইতিহাস
    • বিশ্ব ইতিহাস
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ধর্ম
    • ইসলাম
    • খ্রিস্টান
    • হিন্দু
    • ইহুদী
    • অন্যান্য ধর্ম
  • নাস্তিকতা
  • রাজনীতি
  • সিনেমা
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • ছোটগল্প
    • উপন্যাস
    • সাহিত্য আলোচনা
  • অন্যান্য
  • ই-ম্যাগাজিন
    • নবজাগরণ (ষাণ্মাসিক) – জীবনানন্দ ১২৫ তম জন্ম সংখ্যা – মননশীল সাহিত্য পত্রিকা
  • Others Language
    • English
    • Urdu
    • Hindi

©Nobojagaran 2020 | Designed & Developed with ❤️ by Adozeal

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
নবজাগরণ - জ্ঞান অর্জনের বিস্বস্থ সংস্থা নবজাগরণ - জ্ঞান অর্জনের বিস্বস্থ সংস্থা
Welcome back
Sign In
Sign in to access your downloads, manage your account, and continue where you left off.
Login Account
Enter your credentials to access your account
Forgot Password?
Don't have an account? Register Now
1
Powered by Joinchat
Hi, how can I help you?
Open chat
wpDiscuz
0
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x
| Reply